আজ ২২শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রাম বন্দরে বসছে চারটি অত্যাধুনিক কন্টেইনার স্ক্যানার


চট্টগ্রাম বন্দরে স্থাপন করা হচ্ছে চারটি অত্যাধুনিক ফিক্সড কনটেইনার স্ক্যানার। বাণিজ্য সহজীকরণ, আমদানীকৃত পণ্যের দ্রুত খালাস, রপ্তানি পণ্যের দ্রুত আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে স্ক্যানারগুলো বসাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন স্ক্যানার বসাতে চীনের নাকটেক কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এনবিআর। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বেনাপোল ও ভোমরা বন্দরে একই ধরনের দুটি স্ক্যানার বসানোর কথা উল্লেখ রয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পক্ষে সদস্য (শুল্ক অডিট, আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য) ড. আব্দুল মান্নান শিকদার এবং নাকটেক কোম্পানি লিমিটেডের কোম্পানি প্রতিনিধি হউ ওইনি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এছাড়া কাস্টমস ও ভ্যাট উইংয়ের সদস্যরা ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা যায়, স্ক্যানার বসানো শেষে সেন্ট্রাল ইমেজিং সিস্টেম চালু করা হবে। যার মাধ্যমে ঢাকায় বসেই এনবিআর কর্তৃপক্ষ স্ক্যানারগুলো প্রত্যক্ষ করতে পারবে এবং মনিটর করতে পারবে। এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিশনারেট এবং কাস্টমস গোয়েন্দা স্ক্যানারের রিয়েলটাইম ইমেজ ব্যবহার করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় আরো সক্ষম হবে। ফলে কনটেইনারের কায়িক পরীক্ষার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ থেকে কনটেইনারের স্ক্যানড ইমেজ চাওয়া হয়। নতুন স্ক্যানার প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এরও সমাধান হতে যাচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চোরাচালান প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য সংরক্ষণ, দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমানোসহ বহুমাত্রিক ইতিবাচক দিক নিয়ে আগামী আট মাসের মধ্যে এর সুফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছে রাজস্ব বোর্ড।

প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশন (ডব্লিউসিও) ও সুইস স্টেট সেক্রেটারিয়েট ফর ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্সের (এসইসিও) সহায়তায় পরিচালিত কম্প্রিহেনসিভ টাইম রিলিজ স্টাডি-২০২২ অনুযায়ী আমদানি করা পণ্য খালাসে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের ব্যয় করা সময়ের পর্যালোচনায় দেখা যায়, কাস্টমস কর্তৃক ব্যয় হওয়া সময়ের বেশির ভাগ কায়িক পরীক্ষাসংশ্লিষ্ট। নতুন স্ক্যানারগুলো এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবে।

তথ্যসূত্র: বণিক বার্তা


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর