আজ ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ছবি: চাটগাঁর সংবাদ পত্রিকার সম্পাদক নুরুল আবছার চৌধুরী

আয়কর আদায়ে ‘স্বল্প মেয়াদি কৌশল’ প্রয়োগ করুন


সম্পাদকীয়ঃ নিয়মিত করদাতা ও নতুন করদাতা অন্বেষণে চট্টগ্রামে আয়কর তথ্য-সেবা মাসের কার্যক্রম চলছে। জেলার চারটি কর অঞ্চলের ৮৮টি সার্কেলে মেলার মাধ্যমে বুথ বসিয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ আয়কর তথ্যসেবা দেওয়া হবে। এ কর্মসূচিতে ৬টি উপজেলাতেও বসছে বুথ। যদিও আয়কর প্রদানে এখনও আমাদের দেশের নাগরিকেরা স্বস্তি পান না এবং করের বোঝা ও কর প্রদানে হয়রানি নিয়ে অনেক অভিযোগ পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ‘স্বল্প মেয়াদি কৌশল’ অবলম্বন করার পরামর্শ রইলো। সেই কৌশলে ‘করনেট সম্প্রসারণ’ বিষয়ে বলা হয়েছে, কর অফিসকে বিভিন্ন দপ্তর বা সংস্থার সঙ্গে সম্পাদিত এপিআই চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নতুন করদাতা শনাক্ত করার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নিতে হবে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় জরিপ অঞ্চলের কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর। করনেট সম্প্রসারণের অগ্রগতি বিষয়ে এনবিআরকে প্রতি মাসে একটি করে প্রতিবেদন দিতে হবে।

আরও পড়ুন দক্ষিণ চট্টগ্রামে সরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন জরুরি

এনবিআরের সেই কৌশলটিতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যমান আয়কর আইনে বিভিন্ন সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে ‘আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র’ বা পিএসআর যাচাই সংক্রান্ত যে সব বিধান রয়েছে তা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, সেই বিষয় তদারকি করতে কর অফিসকে টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। এছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ভাড়া করা বাড়িগুলোর মালিকদের রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। আর রিটার্ন দাখিল বৃদ্ধির জন্য ‘প্রত্যেক মাসে মনিটরিং সংক্রান্ত দুইটি পরিদর্শন কার্যক্রম গ্রহণে’ কর অফিসকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উৎসে কর কর্তন কার্যক্রম মনিটরিং বিষয়ে বলা হয়েছে, ইতোমধ্যে নতুন আয়কর আইন অনুযায়ী উৎসে কর সংক্রান্ত একটি নতুন অধিক্ষেত্র আদেশ জারি করেছে আয়কর অনুবিভাগ। আইনের ১৪৭ ধারা অনুযায়ী উৎসে কর আহরণ কার্যক্রম বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। এছাড়া ই-টিডিএস সিস্টেম ব্যবহারে অংশীজনদের উদ্ধুদ্ধ করার কথা জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতি মাসে অগ্রগতির প্রতিবেদন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশনাও রয়েছে।

করদাতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির বিষয়ে বলা হয়েছে, প্রত্যেক কর অঞ্চলের নিজ অধিক্ষেত্রাধীন করদাতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও করদাতারা যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন, সে বিষয়ে করদাতাদের পরামর্শ নিতে গণশুনানির আয়োজন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক কর অঞ্চলের

অধিক্ষেত্রাধীন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়মিত সভা ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আয়কর, রিটার্ন দাখিলের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারণার ব্যবস্থা করার কথাও বলা হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর