আজ ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সবজি, মাছ ও মাংসের দাম নাগালের বাইরে


দুই সপ্তাহ ধরে নাগালের বাইরে সবজি ও মাংসের দাম। বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণার আগাম খবরে বেড়ে গেছে সামুদ্রিক মাছের দামও।

পাশাপাশি বেড়েছে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম। অন্যান্য বছরের মতো এবারও সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের সীমানায় আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়।

রিয়াজউদ্দীন বাজারে রুই ৩০০-৩২০ টাকা, কাতলা ৩২০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০-৪৫০ টাকা, শিং ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সামুদ্রিক মাছ কোরাল ৫০০-৭০০ টাকা, পোয়া ২৫০-৩০০ টাকা, মাঝারি আকারের চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৭০০-১২০০ টাকা কেজি দরে।

বাজারে প্রায় সব সবজিই ৪০ টাকার কমে মিলছে না। বাজারভেদে পটল ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৭০ টাকা, পেঁপে ৪০-৫০ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৭০ টাকা, করলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাকরোল ১০০ থেকে ১২০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, আলু ৩৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৩০ টাকা।

ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, সোনালী ৩৩০-৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চকবাজারের গরুর মাংসের দোকানে হাড়সহ মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা, হাড় ছাড়া ৯৮০ থেকে ১ হাজার টাকায়। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫-১৪০ টাকায়।

মসলাজাতীয় পণ্যের মধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, চায়না রসুন ১৫০ টাকা, দেশি রসুন ১৬০ টাকা, আদা ২৮০ টাকা, বোতলজাত সয়াবিন প্রতি লিটার ২০২ টাকা, খোলা সয়াবিন ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদের আগে বাজারে প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ছিল সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা। সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়।

চকবাজারের ক্রেতা বেসরকারি চাকরিজীবী মায়মুন হাসান বলেন, এখন প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সঙ্গতি নেই। পুরো মাসের জন্য আগে বাড়তি কিনতাম। এখন যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকুই কিনছি।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর