আজ ২৮শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১২ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সংগৃহীত ছবি

বঙ্গবন্ধু সব ধর্মের মানুষের জন্য শান্তির দেশ গড়তে চেয়েছিলেন : শামীম


পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে সব ধর্মের, সব মানুষের জন্য শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সদা সচেষ্টা ছিলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর তার স্বল্পকালীন শাসনামলে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণার্থে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত পদক্ষেপ যেমন ছিল, তেমনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের বিষয় বিবেচনায় রেখেছিলেন তিনি।

আজ বুধবার (১৬ নভেম্বর) চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ধর্মকে কেউ যেন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সকলকে সজাগ থাকতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন ।

শামীম বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলেম সমাজের জন্য কাজ করেছেন। ইসলাম প্রচার এ প্রসারে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর নেয়া উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে- ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা; দেশের ৩১টি কামিল মাদ্রাসায় অনার্স কোর্স চালু করা; যোগ্য আলেমদের ফতোয়া প্রদানে আদালতের ঐতিহাসিক রায়; জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সৌন্দর্যবর্ধন ও সম্প্রসারণ, সুউচ্চ মিনার নির্মাণ, সারাদেশে ৫০০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সেন্টার নির্মাণ। বাংলাদেশে ইসলামের প্রচার বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও রাজকীয় সৌদি আরব সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর; হজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার; জেদ্দা হজ টার্মিনালে ‘বাংলাদেশ প্লাজা’ স্থাপন; আশকোনা হজক্যাম্পের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি; রেকর্ড সংখ্যক হজযাত্রী প্রেরণ; হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি সরকারের স্বীকৃতি; মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে আলেম-ওলামাদের কর্মসংস্থান ও বেতন-ভাতা বৃদ্ধি; শিশু ও গণশিক্ষা এবং কুরআন শিক্ষা কার্যক্রমে মাহিলাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণ। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তর; জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস প্রতিরোধ ও সামাজিক সমস্যা সমাধানে ইসলাম শীর্ষক কর্মসূচি বাস্তবায়ন; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের কাছে বাংলাদেশের আলেম-ওলামাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা; মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান।

তিনি আরও বলেন, ধর্মকে কেউ যেন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সবাই সজাগ থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নদভী এমপির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, প্রকৌশলী ড. রশিদ, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, রিজিয়া সুলতানা নদভী, অধ্যাপক হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: বাসস


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর