আজ ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

সংগৃহীত ছবি

‘প্রতিযোগিতা আইন’র বাস্তবায়ন অপরিহার্য: চেম্বার সভাপতি


২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশে রূপান্তর হতে হলে বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সুষ্ঠু ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করতে প্রতিযোগিতা আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন দ্য চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম।

আজ বুধবার (১৯ অক্টোবর) ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত সভায় সিসিসিআই সভাপতি এ কথা বলেন।বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের (বিসিসি) উদ্যোগে ‘প্রতিযোগিতা আইন ২০১২’ বিষয়ক আলোচনা সভায় অংশ নেয় বাংলাদেশ সেন্টার অব এক্সিলেন্স (বিসিই)।

সভায় মাহবুবুল আলম বলেন, বাংলাদেশে প্রতিযোগিতা আইনটি নতুন, তাই এখনো পর্যন্ত আইনটি সহজে বিশ্লেষণ করার মতো পর্যাপ্ত দক্ষতা দেশে তৈরি হয়নি। এছাড়া বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের দ্রুত পরিবর্তনের কারণে ব্যবসায়িক নীতিও দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং বিভিন্ন খাতের ব্যবসার নীতি ও কার্যক্রম বিভিন্ন রকম। তাই এই আইনের আওতায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম কোনো একটি খাতের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বিরোধী দেখালেও এই একই রকম কার্যক্রম অন্য আরেকটি খাতের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বিরোধী নাও হতে পারে। তাই এই আইনের সঠিক প্রয়োগের জন্য ভিন্ন ভিন্ন সেক্টরের বাজার ব্যবস্থা সম্পর্কে গভীরভাবে আলোচনা করা দরকার।

এসময় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম বলেছেন, ব্যবসা ক্ষেত্রে সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা চর্চা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে বাংলাদেশ কম্পিটিশন অ্যাক্ট প্রণয়ন করে। এ আইন বাস্তবায়নের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৬ সালে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন গঠন করে। আইনটি সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নয়। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে উৎপাদনশীলতার পাশাপাশি উদ্ভাবনী দক্ষতাও প্রয়োজন। এ ছাড়া টেকসই অর্থনীতি জোরদার করতে এ ধরনের আইনের বিকল্প নেই।

আলোচনা সভায় প্রতিযোগিতা আইন সম্পর্কে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিসিসির সদস্য জিএম সালেহ উদ্দিন ও লিগ্যাল কাউন্সেল’র ম্যানেজিং পার্টনার ব্যারিস্টার ওমর এইচ খান। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেম্বার পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, বিজিএমইএর সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক শাহেদ সরোয়ার, বিএসআরএম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমীর আলীহুসেইন, কনফিডেন্স সিমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির উদ্দিন আহমেদ, উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবিদা মোস্তফা, বিজিএপিএমইএর সাবেক পরিচালক কেএইচ লতিফুর রহমান (আজিম) ও ইউনিভার্সাল অ্যাগ্রো করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মো. টিপু সুলতান শিকদার, বিসিসির সদস্য ড. এএফএম মনজুর কাদির এবং নাসরিন বেগম, চেম্বার পরিচালক একেএম আক্তার হোসেন, মো. ইফতেখার ফয়সাল, এসএম তাহসিন জোনায়েদ ও তানভীর মোস্তফা চৌধুরী প্রমুখ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

     এই বিভাগের আরও খবর