আজ ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১লা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

৬ গোলে পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করলো বাংলাদেশ


পাকিস্তানকে ৬-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। আজ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে সাবিনার হ্যাটট্রিকে নেপালের কাঠমুন্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। খেলার শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের সীমানায় মুহুর্মুহু আক্রমণে ত্রাস ছড়ালেন মনিকা চাকমারা। তাতে শুরুতেই মিলল গোল, সময়ে সময়ে ব্যবধান বাড়তে থাকলে দুর্দান্ত মুন্সিয়ানায় বিধ্বস্ত হয় পাকিস্তান।

অধিনায়ক সাবিনা ছাড়াও  গোল পান মনিকা, সিরাজ জাহান স্বপ্না ও ঋতুপর্ণা চাকমা। এর আগে গত বুধবার ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। খেলার শুরুতেই বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন মনিকা চাকমা। তৃতীয় মিনিটে থ্রোয়িং থেকে বল নিয়ে দুজনকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে সাবিনা শট নিয়েছিলেন। তার শট পাকিস্তানি ডিফেন্ডার ফিরিয়ে দিলে ফাঁকায় দাঁড়ানো মনিকা বল পেয়ে যান। ডান কোনা ধরে মনিকার নেওয়া নিখুঁত শট জালে জড়িয়ে যায়।

একের পর এক আক্রমণ আসতেই থাকে। তবে একাধিক সুযোগ নষ্ট করে বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে ২৭ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। সাবিনার কাছ থেকে বলের যোগান পেয়ে বক্সে ঢুকে দারুণ নৈপুণ্যে বল জালে জড়িয়ে দেন সিরাত জাহান স্বপ্না। তিন মিনিট পরই নিজের প্রথম ও দলের তৃতীয় গোল পান সাবিনা। ডান দিক থেকে আসা ক্রস দেখে বুদ্ধিদীপ্তভাবে বক্সে ঢুকে যান তিনি। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার ওই বল ক্লিয়ার করতে না পেরে উল্টো তুলে দেন সাবিনার পায়ে। টোকা মেরে জালে জড়িয়ে দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

এই গোলের রেশ না কাটতেই আরেকবার পাকিস্তানকে হতাশায় পুড়ায় বাংলাদেশের মেয়েরা, ৩৪ মিনিটে চতুর্থ গোল। বা দিকে আঁখির কাছ থেকে আসা ক্রস ধরে বক্সের দিকে ছুটে যান সানজিদা খাতুন। তার ক্রস পেয়ে জালে জড়িয়ে আনন্দে ভাসেন সাবিনা। ৩৮ মিনিটে পঞ্চম গোল আসতে পারত। স্বপ্নার মারা শট পাকিস্তানের গোলকিপারের হাত ফসকে বারে লেগে ফিরে আসে।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে  প্রতি আক্রমণ থেকে আঁখিকে ফাঁকি দিয়ে বল দিয়ে বাংলাদেশের বক্সে ঢুকে দিয়েছিলেন নাদিয়া খান। গোলরক্ষক রুপনা চাকমার দক্ষতায় প্রতিহত হন তিনি। পরে আঁখি বল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন।

বিরতির পরও বজায় থাকে বাংলাদেশের প্রাধান্য। ৫৮ মিনিটে ডানদিকে থ্রোয়িং থেকে বল পেয়ে বক্সে ক্রস করেন সানজিদা। দারুণ সেই বলের ফ্লাইট বুঝে লাফিয়ে ক্ষিপ্র হেডে জালে জড়ান সাবিনা। দলের পঞ্চম গোলের সঙ্গে হ্যাটট্রিক পুরো করেন তিনি।

৭৬ মিনিটে দেখার মতো গোল করেন ঋতুপর্ণা। বক্সের অনেক বাইরে থেকে আচমকা বা পায়ের শটে বল হাওয়ায় ভাসিয়ে জালে জড়িয়ে দেন তিনি।


Leave a Reply

Your email address will not be published.

     এই বিভাগের আরও খবর